বার্ধক্য প্রতিরোধক খাদ্যের বিকল্প

বার্ধক্য নিরোধক খাদ্য: (Non-Aging diet)

বার্ধক্য প্রতিরোধ করতে হলে দৈনিক এক থেকে দেড় আউন্স পরিমাণ Nucleic acid খাবারের মাধ্যমে গ্রহণ করতে হবে। এই এসিড কোন খাবার থেকে এলো সেটা খুব বড় কথা নয়। এটা সার্ডিন এবং অন্যান্য সামুদ্রিক মাছ থেকে পারে অথবা অন্য কোন খাদ্য থেকেও আসতে পারে। তবে মনে রাখতে হবে যে, তাদের অতিরিক্ত চর্বি এবং ক্যালরী এড়িয়ে চলতে হবে। অনেকে বার্ধক্য প্রতিরোধক খাদ্য তালিকার কোন কোন খাদ্য হয়তো অপছন্দ করেন যেমন সার্ডিন কিংবা লিভার। তাদের জন্য বিকল্প খাদ্য তালিকা সুপারিশ করেছেন। তার সুপারিশকৃত তালিকায় যে খাদ্যের উল্লেখ  আছে তার সবগুলো আমাদের দেশে পাওয়া যায় না । যেগুলো পাওয়া যায় সেগুলো নিম্নরুপঃ

বার্ধক্য প্রতিরোধক খাদ্যের বিকল্প
  •  সব  রকম মাছ
  • বাদাম জাতীয় খাবার
  • মুরগির মাংস
  • ওটমিল
  • মাশরুম
  • মূলা
  • পেঁয়াজ

উপরের খাদ্যগুলো নিউক্লিক এসিড (Nuclic acid) সমৃদ্ধ। কিছু খাবার আছে যেগুলোতে নিউক্লিক এসিড তেমন নেই। তবে সেগুলো অন্যান্য অতি প্রয়োজনীয় খাদ্য উপাদান ( important nutrients) বিদ্যমান । সেগুলো হলোঃ

  • অধিকাংশ সব্জী
  • ফলমূল
  • ডিম
  • দুধ
  • পনীর*
  • দানা জাতীয়শস্য (Cereals)
  • মাখন*
  • অন্যান্য তেল

তবে তারকা চিহ্নিত খাদ্যগুলিতে কোলেস্টেরল এর মাত্রা অত্যধিক।

Non-Aging diet:

বিটের মধ্যে নিউক্লিক এসিড (Nuclic acid) বেশী নেই। কোন সবজীর মধ্যে তা নেই। তবুও বীটকে বার্ধক্য প্রতিরোধক খাদ্যের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে, কারণ এর মধ্যে এমন একটা এমাইনো এসিড আছে যেটা আমাদের শরীর তার নিজস্ব নিউক্লিক এসিড তৈরী করতে ব্যবহার করে। তাছাড়া, আরো আছে অত্যন্ত প্রয়োজনীয় পুষ্টি যা মস্তিষ্কের কার‌যকারিতা বাড়িয়ে দেয়। অনেকে নিরামিষ খাবার খান। ডাক্তারী শাস্ত্রের দৃষ্টিকোণ থেকে বিবেচনা করলে নিরামিষ পক্ষে অনেক যুক্তি আছে। নিরামিষে চর্বি এবং Cholesterol কম থাকে। তাছাড়া, নিরামিষ সুষম করা যায় এমন সব খাদ্য দিয়ে যার মধ্যে প্রয়োজনীয় Amino acid আছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *