গুণে-মানে থানকুনি

বৈজ্ঞানিক জার্নালে প্রকাশিত গুরত্বপূর্ণ হেলথ টিপস

শীতের সময় ত্বকে টানটান ভাব অনুভূত হয়। রুক্ষতা ও মলিনতা তাড়া করে সারাবেলা। এসব সমস্যা থেকে মুক্তিপেতে থানকুনির সাহায্য নেয়া যায়। প্রতিদিন ৫-৬ চা চামচ থানকুনি পাতার রস দুধ দিয়ে খেতে হবে। নিয়মিত এটা  খেলে উপকার পাওয়া যাবে। গায়ে যদি দুষিত কোনো ক্ষত থাকে তাহলে থানকুনির মূলসহ সমগ্র গাছ সিদ্ধ করে সেই পানি দিয়ে দূষিত ক্ষত ধুতে হবে। জ্বর ও আমাশয়ের সঙ্গে যদি জ্বর হয় তাহলে থানকুনি পাতার রস গরম করে ছেঁকে খাওয়াতে হবে। অনেকের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকে কোনো কিছুতে আক্রান্ত হলে সহজে সারতে চায় না। অনেকে আছে মুখের ভেতরের ঘা বয়ে ড়োচ্ছেন অনেকদিন ধরে শত ঔষুধের কাজ হচ্ছে না। এক্ষেত্রে থানকুনির ব্যবাহার করে দেখতে পারেন। থানকুনি পাতা সিদ্ধ পানি দিয়ে গারগিল করতে হবে দিনে দু’বার। হঠাৎ কোথাও পড়ে গিয়ে ব্যথা পেলে থানকুনি গাছ বেটে অল্প গরম করে আঘাতপ্রাপ্ত স্থানে প্রলেপ  দিলে উপকার পাওয়া যায়। সাধারণ কোণো ক্ষত হলে থানকুনি পাতা বেটে ঘিয়ের সঙ্গে জ্বাল দিয়ে ঠান্ডাকরে তা ক্ষত স্থানে লাগাতে হবে।

অপুষ্টি এবং ভিটামিনের অভাবে চুল পড়লে পুষ্টিকর ভিটামিন সমৃদ্ধ খাবারের পাশাপাশি ৫-৬ চা চামচ থানকুনি পাতার রস দুধের সঙ্গে মিশিয়ে খেতে হবে। পেটের নানা সমস্যা যেমন : মলের সঙ্গে শ্লেষ্ণা গেলে , মল পরিস্কারভাবে না হলে, পেটে গ্যাস হলে , কোনো কোনো সময় মাথা ধরা এসব ক্ষেত্রে ৩-৪ চা চামচ থানকুনি পাতার গরম রস ও সমপরিমান গরুর কাঁচা দুধ মিশিয়ে খেতে হবে। নিয়মিত খেলে উপকার পাওয়া যায়। স্মরণশক্তি ঠিক রাখতে এটা অতুলনীয় ভুমিকা পালন করে।মনে না থাকলে আধা কাপ দুধ , ২-৩ টি থানকুনি পাতার রস ও এক চা চামচ মধু মিশিয়ে খেতে হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *