হেপাইটাইটিস নিরাময়ে বিশ্রাম খুব জরুরি

বৈজ্ঞানিক জার্নালে প্রকাশিত গুরত্বপূর্ণ হেলথ টিপস

হেপাইটাইটিস শব্দের অর্থ যকৃৎ বা লিভারের প্রদাহ। এটি যকৃতের আবরক ঝিল্লিতে আলাদাভাবে বা একই সঙ্গে প্রদাহ হতে পারে। যকৃৎ যদি কোনো ক্ষতিকারক বস্তুর মাধ্যমে আক্রান্ত হয়ে প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করে তাহলে তাকেই বলে যকৃৎ প্রদাহ বা হেপাইটাইটিস । এ রোগে আক্রান্ত হলে যকৃৎ নিজস্ব ক্রিয়াশক্তি হারিয়ে ফেলে এবং বিভিন্ন রোগের উপসর্গ দেখা দেয়- ম্যলেরিয়া, টাইফয়েড , নিউমোনিয়া , সেন্টিমেসিযাড অথবা অ্যামিবা জনিত যকৃতের পিত্তবাহী ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র নালির প্রদাহ। অতিরিক্ত মদ্যপান,হঠাৎ ঠান্ডা লাগা, রোদে ঘোরাঘুরি, উত্তেজক দ্রব্য সেবনসহ বিভিন্ন কারনে এ রোগ হয়ে থাকে।

লক্ষন : রোগীর জিহ্বা সাদাটে বা হলুদ আকার ধারন করে । মুখে তিক্ত স্বাদ অনুভুত হয়। চোখ হয় সবুজ বর্ন। লিভারের আশপাশের তীব্র বেদনা ও জ্বালা এবং চাপ দিলে ব্যথা অনুভুত হয়। এ অবস্থার এক পর্যায়ে যকৃতের মধ্যে রস জমে এবং চামড়া, চোখ ও নখ হলুদ বর্ন  ধারন করে। শরীরে জ্বরের প্রকোপ বেড়ে যায়। ক্ষুধামন্দা, কুখে অরুচি ইত্যাদি দেখা দেয়। খুশখুশে কাশির পাশাপাশি কোষ্টকাঠিন্য থাকে।

চিকিৎসা : এ রোগ পুরোপুরি মারাত্মক আকার ধারন করে না। সঠিক চিকিৎসা নিলে রোগী দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠে। এক্ষেত্রে রোগীকে থাকতে হয় সম্পূর্ণ বিশ্রামে। খাবার দাবারের ব্যাপারে থাকতে হয় পুরোপুরি সতর্ক। আরও যে বিষয় সতর্ক ও সচেতন প্রয়োজনহয়, তা হলো মদ্যপান, তৈলাক্ত ও মশলাযুক্ত খাবার না খাওয়া। খেতে হবে তরলজাত খাবার। গ্লুকোজ , সাগু, বার্লি, অ্যারারোট সহ জাতীয় খাবারের পাশাপাশি পরিপূর্ণ নিরাময়ের জন্য অভিজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শমতো ঔষুধ খাওয়া এবং বিশ্রাম নেওয়া।