বিষাক্ত এনার্জি ড্রিংক ও জুস:

খাদ্যে ভেজাল ও এর ক্ষতিকারক প্রভাব

রেকটিফাইড স্পিরিট ব্যবহার করে দেদারচে তৈরি হচ্ছে এনার্জি ড্রিংকস ও ফিলিংস জুস। র‌্যাবের অভিযানে গাজীপুর , শ্রীপুর, কালিয়াকৈর এলাকায় ১০টির বেশী নকল জুস কোম্পানি সিলগালা করেও থামানো যাচ্ছে না ভেজাল জুসের উৎপাদন। এক্ষেত্রে বিএসটিআইয়ের নামে প্রতি মাসে লাখ টাকা মাসোহারা প্রদানের ভিত্তিতে মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর এ পণ্য ব্যাপকহারে উৎপাদন ও বাজারজাত চলছে।

বিএসটিআইতে খোঁজ নিয়ে জানা যায়. এনার্জি ড্রিংকস বলতে কোনো পণ্যসামগ্রী উৎপাদন বা বাজারজাতের জন্য বিএসটিআই কোনো রকম অনুমোদন দেয় না। তা সত্ত্বেও অনুমোদন পাওয়ার জন্য একটি আবেদনপত্র বিএসটিআই কার্যালয়ে জমা দিয়েই কারখানায় দেদারচে উৎপাদন কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। বিএসটিআইয়ের কেমিক্যাল বিভাগের দায়িত্বশীল একজন কর্মকর্তা জানান, যে কোনো ড্রিংকস উৎপাদন ও বোতলজাতের ক্ষেত্রে প্রথম শর্তই হচ্ছে অটো মেশিনে সার্বিক কার্যক্রম পরিচালনা করা। নির্ধারিত ১২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় তরল উপকরণসমূহ ফুটিয়ে নিয়ে তা রিফাইন করার মাধ্যমে সংমিশ্রণ ঘটানো এবং বোতলজাত করা থেকে মুখ লাগানো পর্যন্ত সবকিছুই অটো মেশিনে ধারাবাহিকভাবে সম্পন্ন হওয়ার কথা। কিন্তু কথিত জুস কারখানাগুলোতে সবকিছুই চালানো হচ্ছে হাতুড়ে পদ্ধতিতে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *