বেকারীর অস্বাস্থ্যকর খাদ্যপণ্য :

খাদ্যে ভেজাল ও এর ক্ষতিকারক প্রভাব

রাজধানীতে যত্রতত্র গড়ে উঠেছে শত শত বেকারি কারখানা। কালি-ঝুলি মাখা প্রতিটি কারখানার ভিতরে-বাইরে কাদাপানি, তরল ময়লা-আবর্জনাযুক্ত নোংরা পরিবেশ। দুর্গন্ধের ছড়াছড়ি। আশেপাশেই নর্দমা ময়লার স্তুপ। মশা-মাছির ভনভন আর একাধিক কাঁচা-পাকা টয়লেটের অবস্থা। কারখানাগুলো স্থাপিত হয়েছে টিনসেড বিল্ডিংয়ে । বহু পুরনো চালার টিনগুলো স্থানে স্থানে ছিদ্র থাকয় বৃষ্টির পানি অনায়াসেই কারখানা ঘরে ঢুকে। এতে পিচিছল কর্দমাক্ত হয়ে থাকে মেঝে, কাদাপানি ছড়িয়ে ছিটিয়ে যায় খাদ্য-সামগ্রীতে, কারখানাগুলোতে পর্যাপ্ত আলো বাতাসের ব্যবস্থা নেই, দম বন্ধ হওয়া গরম থাকে রাত-দিন গরমে ঘামে চুপসানো অবস্থায় খালি গায়ে বেকারি শ্রমিকরা আটা- ময়দা দলাই-মথাই করে।

সেখানেই তৈরি হয় ব্রেড, বিস্কুট, কেকসহ নানা লোভনীয় খাদ্যপণ্য। অভিযোগ আছে উৎপাদন ব্যয় কমাতে এসব বেকারীর খাদ্যপণ্যে ভেজাল আটা, ময়দা, ডালডা, তেল, পঁচা ডিমসহ নিম্নমানের বিভিন্ন উপকরণ ব্যবহার করা হয়। কেক ও ব্রেড তৈরির জন্য সেখানে পিপারমেন্ট সোডা ও বেকিং পাউডার রাখা হয়েছে পাশাপাশি। কারখানা ঘেঁষা একটি ছোট্ট ফেনা উঠে যাওয়া ঘোলাটে পাম ওয়েল তেল, ডিম ও ডালডার মিশ্রণ তৈরি হচ্ছে। বেকারির কারখানায় উৎপাদিত খাদ্যদ্রব্য সতেজ রাখতে ট্যালো , ফ্যাটি এসিড ও ইমউসাইল্টিং , টেক্সটাইল রং সহ নানা কেমিক্যালও ব্যবহার করতে দেখা যায়। আশেপাশের কারখানাগুলোতে দেদারচে ব্যবহার হচ্ছে ভেজাল আটা, ময়দা , তেল ও পঁচা ডিম। বেকারিতে পঁচা ডিম ব্যবহার যেন সাধারন বিষয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *