মাদক দ্রব্যে ভেজাল:

খাদ্যে ভেজাল ও এর ক্ষতিকারক প্রভাব

ভেজালের বিষ মেশানো হচ্ছে মাদকদ্রব্যে। বিয়ারসহ বিভিন্ন দেশি-বিদেশি মদে ব্যাপকভাবে ভেজালের সন্ধান পাওয়া গেছে। বিদেশি নামিদামি ব্রান্ডের মদ , বিয়ার থেকে শুরু করে দেশীয় চোলাইমদ পর্যন্ত সর্বত্রই ভেজালের ছড়াছড়ি। মাত্রাতিরিক্ত অ্যালকোহল আর কেটিফাইড স্পিরিট দিয়েই তৈরি হচ্ছে বিভিন্ন মাদক। কেরু উৎপাদিত বাংলা মদের সঙ্গে ফরেন লিকার মিশিয়ে মাদক বিক্রেতার নকল বিলেতি মদ তৈরি করছে, সেগুলো বিয়ার ক্যান বা ব্রান্ডের মদের বোতলে ভরে দেদারচে বাজারজাত চলছে। রেকটিফাইড স্পিরিট, ইথানল, মিথানলসহ উচ্চ তাপমাত্রার অ্যালকোহল মিশ্রিত করে রাজধানীসহ আনাচে – কানাচে প্রস্তুত হচে্‌ছ নানা নামের বিভিন্ন স্টাইলের মাদক বিভিন্নপানীয়, বিয়ার ও দেশি বিদেশি মদের বোতলের লেভেলে ঘোষিত অ্যালকোহল মাত্রার চেয়ে কয়েকগুন বেশী ব্যবহার করে মানুষকে সৃত্যুর মুখে ঠেলে দিচ্ছে মাদক-বিয়ার ব্যবসায়ীরা। দেশীয় চোলাই মদ মিশিয়ে বিভিন্ন ব্রান্ডের বিদেশি মদের বোতলে ভরে উচ্চ মূল্যে বিক্রি করা হয়। অন্যদিকে দেশীয় চোলাই মদের সঙ্গে অতিমাত্রায় অ্যালকোহল মিশিয়েও তৈরি হচ্ছে তীব্রতাযুক্ত “শক্তিশালী মাদক” । যেগুলো সেবন করে ডকসাইটে মাদকসেবীরাও সম্বিত হারিয়ে ফেলেন, এমনকি অনেক ক্ষেত্রে মৃত্যুর কোলেও ঢলে পড়ছে মাদকসেবীরা। বিভিন্ন ড্রিংকসের সঙ্গেও অ্যালকোহল ও অতিমাত্রায় রেকটিফাইড স্পিরিট মিশিয়ে বিয়ার হিসেবে বাজারজাতও চলছে অবাধে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *