চুল পড়া প্রতিরোধে হোমিও চিকিৎসা

চুল পড়া প্রতিরোধে হোমিও চিকিৎসা

বৈজ্ঞানিক জার্নালে প্রকাশিত গুরত্বপূর্ণ হেলথ টিপস-২
চুল পড়া প্রতিরোধে হোমিও চিকিৎসা

চুল বিভিন্ন কারনেই পড়ে। বেশি চুল আঁচড়ানো যেমন ঝরে পড়ার জন্য দায়ী তেমনি বংশগত কারণেও অনেকের মাথার চুল পড়ে শেষ হয়ে যায়। চর্মরোগ- সোরিয়াসিস, একজিমা ইত্যাদির প্রদাহেও চুল পড়তে পারে। হরমোনজনিত সমস্যার জন্য অনেকের চুল পড়ে যায়। লৌহ, ভিটামিন , দস্তার অভাবেও চুল পড়ে। তেজস্ক্রিয় রশ্মি প্রয়োগ করে রোগের চিকিৎসা অর্থাৎ ক্যান্সারের মতো নির্দিষ্ট কিছু রোগে চুল ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। রজঃনিবৃত্তির সময় পড়তে পারে নারীদের চুল। এছাড়া জ্বর , বড় ধরনের সার্জারি,রক্তক্ষরন নির্দ্ষ্ট কিছু ঔষধ গ্রহন, অনাহার, রাসায়নিক পদার্থ মুত্রাশয়ের কর্মহীনতার কারনে চুল পড়তে পারে।

প্রতিকার : খেতে হবে সবুজ শাকসবজি- যেগুলোর মধ্যে আছে ভিটামিন-এ, সি ও ই উপাদান। এগুলো preventive হিসেবে কাজ করবে। তিসি চুলের জন্য উপকারী। শিমের বিচি, মটরশুটি, বরবটি ও প্রোটিনের ভালো উৎস। লাল চাল ও আটা থেকে পাওয়া যায় জিংক, আয়রন ও ভিটামিন বি। তা চুলের জন্য উপকারী। কাঠবাদাম, কাজুবাদাম, আখরেটও চুল রক্ষায় কাজ করে। প্রথম শ্রেণির প্রোটিন মুরগি , ডিম ইত্যাদি খেতে হবে। কম চর্বিযুক্ত দুধে থাকে ক্যালসিয়াম । তা চুল বাড়তে সহায়তা করে। সূর্যমুখির বিচি চুল মজবুত ও ঝলমলে করতে সাহায্য করে। গাজর ভিটামিন এর ভালো উৎস। এটি প্রতিদিন সালাদ হিসেবে খাওয়া যায়।

হোমিও চিকিৎসা : ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্য ও সঠিক ঔষধ নির্বাচনের মাধ্যমে চিকিৎসার জন্য রোগীকে যোগ্যতা সম্পন্ন ও জিস্টার্ড হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করা একান্ত প্রয়োজন। তিনি রোগের ইতিহাস, লক্ষণ ইত্যাদি বিচার বিশ্লেষণ করে যথাযথ ঔষধ ও পরবর্তী করণীয় সম্পর্কে পরামর্শ দেবেন। তবে চুল পড়া একটি প্রকৃতিগত সমস্যা। যতদিন ধরে মানুষের অস্তিত্ব আছে ততদিন চুল পড়ার সমস্যাও থাকবে। এমনকি ভবিষ্যতেও থাকবে। তাই এ নিয়ে হতাশার কিছু নেই। প্রতিদিন বিভন্ন কারণে গড়ে ৫০ থেকে ১০০টি চুল ঝরে পড়ে। এর বেশি হলেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *