বিষন্নতা

বিষন্নতা

বিষন্নতা
বিষন্নতা

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, নারী-পুরুষ সবাই বিষন্নতায় আক্রান্ত হতে পারে, নারীরা ১-৩ গুন বেশি ভোগে। প্রতি ১০ জনে একজন নারী বিষন্নতাই ভুগে থাকেন। এ প্রবণতা ধীরে ধীরে বাড়ছে। এভাবে চলতে থাকলে আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে জাতির বোঝা হিসেবে চিহ্নিত রোগের তালিকায় বিষন্নতা হবে দ্বিতীয়। দেখা যায় ১% বেকারত্ব বাড়লে আত্মহত্যার ঝুঁকি বাড়ে ০.৭%। বিশেষ করে দক্ষিণ এশিয়ার ক্ষেত্রে দারিদ্রতা ও বেকারত্ব বাড়লে আত্মহত্যার প্রবণতা বৃদ্ধি পায়। বিষন্নতায় আত্মহত্যা ও মদ্যপানের প্রবণতা বেশি দেখা দেয়। দেহ ও মন মিলেমিশে একাকার, একই সুত্রে এবং ছন্দে গাঁথা। বুকের বাম দিকে আলতো করে হাত রেখে হৃদয়ের কথা বলি, মনের অভিব্যক্তির স্থান নির্ধারণ করি।

কেউ কেউ বলেন, ’’মন’’ কি, কোথায়? আসলে মন ব্রেনেরই অংশ; চিন্তা- চেতনা, বুদ্ধিবৃত্তির সঙ্গে সম্পৃক্ত। দেহ আমরা দেখি, মন দেখি না। আবেগ,অনুভূতি, আচার-আচরণ  এবং নানাবিধ ক্রিয়াকলাপের মাধ্যমেই মনের চিত্রটি বাইরে বেরিয়ে আসে প্রতিভাত হয়। দেহের আছে সুস্থতা, অসুস্থতা। মনেরও তেমনি রয়েছে সুখ, অসুখ। দেহ অসুস্থ হলে দেহের কলকব্জায় ওলট পালট কিছু ঘটলেই আমরা উদ্বিগ্ন হই, ছুটে যাই চিকিৎকদের কাছে। আর মন যখন বিগড়ে যায়, তখন নানা রকম উদ্বিগ্নতা, অসংলগ্নতা এবং হতাশায় আক্রান্ত হই। সেই সঙ্গে পারিপার্শ্বিকতার কটাক্ষ , টিটকারি তো আছেই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *