বেগুন কিন্তু গুনহীন নয়

বেগুন কিন্তু গুনহীন নয়

বেগুন কিন্তু গুনহীন নয়
বেগুন কিন্তু গুনহীন নয়

বেগুন নামের সবজিটির সঙ্গে নামের কোনো মিল নেই। এটি পুষ্টিতে অরপুর। বেগুনে আছে স্বল্প মাত্রার , যা শক্তি যোগাবে। কিন্তু কোনো ক্ষতি করবে না। এ সবজি রক্তে উচ্চমাত্রার কোলেষ্টেরল কমিয়ে ওজন কমাতে সাহায্য করে। দেহে  ফ্রি রেডিক্যাল নামে এক ধরনের ক্ষতিকর উপাদান তৈরি হয়। এ উপাদানের পরিমাণ কমায় বেগুন। ফ্রি রেডিক্যাল আমাদের অনেক ক্ষতি করে। দেহে ক্যান্সারের জীবাণুকে আক্রমন করতে সাহায্য করে। তাই ফ্রি রেডিক্যালের পরিমাণ কমানো যথেষ্ট জরুরি। বেগুনে রয়েছে নায়াসিন নামের উপাদান, যা মস্তিকের শিরা, উপশিরার মধ্যে চর্বি জমাতে বাধা দেয়। ফলে মস্তিস্কের প্রতিটি প্রান্তে রক্ত সুষ্ঠভাবে সরবরাহ হয়। মস্তিস্কে রক্ত সঠিকভাবে পৌঁছালে ব্রেইন স্ট্রোক , উচ্চ রক্তরাপ সহজে হবে না। এতে আছে ভিটামিন সি এবং এ। ত্বক ভালো রাখতে ভিটামিন সি যথেষ্ট জরুরি। এ ভিটামিন ত্বক ভালো রাখে, সংক্রামক রোগের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে। আর ভিটামিন এ চোখের মণিতে কালো দাগ চোখ ওঠা , চোখ লালচে হয়ে যাওয়া, চোখ দিয়ে পানি পড়া অকালেই চোখে ছানি পড়া অসুখের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে। চোখের মাংসপেশিগুলোর পুষ্টি যোগায় বেগুন। বেগুনে আয়রন আছে, যা রক্ত তৈরিতে সাহায্য করে। শিশু থেকে বৃদ্ধ পর্যন্ত সবারই আয়রন যথেষ্ট জরুরি। বিশেষ করে গর্ভবতীদের দরকার হয় প্রচুর পরিমাণে আয়রন। তাই গর্ভাবস্থায় প্রচুর সবুজ , হলুদ শাকসবজি , ফলমূল খাওয়া উচিত। বেগুন আছে প্রচুর পরিমানে আঁশ । আঁশ পাতলা সুতার মতো উপাদান, যা খাবার সঠিকভাবে হজম করে , কোলন ক্যান্সার প্রতিরোধ করে। রক্তে চর্বির পরিমাণ কমিয়ে কমিয়ে দেয়। বেগুনে চিনি রয়েছে খুব সামান্য পরিমাণে। তাই ডায়বেটিক , উচ্চ রক্তচাপ ও হৃদরোগরিা খেতে পারবেন নিঃসন্দেহে। যারা  খাবার নিয়ন্ত্রণ করেছেন তারা বেগুন খেতে পারবেন। কিছু পরিমাণ খনিজ লবণও রয়েছে বেগুনে। এ খনিজ লবনগুলো দাঁত, হাড় , নখ, চুল ও ত্বককে করে মজবুত। পানির পরিমাণও রয়েছে যথেষ্ট পরিমানে এই সবজিতে। অতিরিক্ত গরমে পানি শূন্যতা হলে, বেগুনে লাউ এর তরকারি অল্প তেল মশলা দিয়ে খান। ভিটামিন ই রয়েছে বেগুনে। চুলের জন্য ভীষণ উপকারী বেগুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *