যত গুণ পালংশাক

যত গুণ পালংশাক

যত গুণ পালংশাক
যত গুণ পালংশাক

পালংশাক উচ্চমানের পুষ্টিগুন সমৃদ্ধ। যখন এটি ভাঙ্গা থাকে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ভরপুর থাকে । এতে প্রচুর ফলিক অ্যসিড, ক্যালসিয়াম ও আয়রন আছে। তাই আর্থ্রাইটিস,অস্টিওপোরিসিস প্রতিরোধ ছাড়াও হৃদরোগ এবং কোলন ক্যান্সার প্রতিরোধ বিশেষ ভুমিকা রাখে। পালংশাকের উপাদান সমুহ ক্যান্সার বিশেষ করে ত্বকের ক্যান্সার প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে এবং এর ক্যারোটিনয়েডিস ও শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট প্রসেন্ট ক্যান্সার এবং ওভারিয়ান ক্যান্সার প্রতিরোধ করে। এর অ্যান্টি অক্সিডেন্ট বার্ধক্যজনিত কোষের ডিগ্রোডেশন কমিয়ে তারণ্য ধরে রাখে। পালংশাকে প্রচুর পরিমাণে ফলিক অ্যাসিড থাকে, যা গর্ভবতী মায়েদের জন্য খুব প্রয়েজনীয় তাছাড়া হাড়কে মজবুত করে তুলতে , শরীরের কার্ডিও ভাস্কুলার সিস্টেম ও মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে। এই শাক আয়রনের ভালো উৎস। এতে স্বাস্থ্য রক্ষাকারী উপাদান গ্লাইকোগ্লিসারলিপিড থাকে যা পরিপাকতন্ত্রে আবরণী রক্ষা করে এবং এর সংক্রামণ রোধ করে। এতে রয়েছে ভিটামিন এ সি, ই সহ আরও অনেক ভিটামিন ও খনিজ উপাদান। তাই আমাদের দেহের পরিপ্যর্ণ পুষ্টি ও সুস্বাস্থ্য রক্ষার জন্য পালংশাক খুবই প্রয়োজনীয়।

যত গুণ পালংশাক

পালংশাকে যেমন প্রচুর পরিমানে ভিটামিন কে, এ, সি , বি২ ও ফলিক অ্যাসিড থাকে, তেমনি ম্যাংগানিজ , ম্যাগসেসিয়াম ও আয়রনের গুরুত্বপূর্ণ উৎস। প্রতি ১০০ গ্রাম পালংশাকে ২৩ক্যালরি, ৩গ্রাম আমিষ, ৪ গ্রাম শর্করা ও২ গ্রাম আঁশ থাকে, তবে কোনো চর্বি নেই। পালংশাকে প্রচুর পানি থাকে। দ্রুত শক্তি ফিরিয়ে আনে পালংশাক। রক্তের গুণাগুণ বাড়ায়। পালংশাকের আয়রন লাল রক্ত কণিকা গঠনে সাহায্য করে যা সারা দেহে অক্সিজেন সরবরাহ করে শরীরে শক্তি ফিরিয়ে আনে। পালংশাকের চেয়ে বেশি ভিটামিন কে সমৃদ্ধ শাক খুঁজে পাওয়া কঠিন। হাড় সুরক্ষায় এই ভিটামিন গুরুত্বপুর্ণ অবদান রাখে। অকাল অন্ধত্ব এবং রাতকানা রোধে পালংশাকের ভিটামিন এ খুব কাজে দেয়। ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে এবং চুল পড়া রোধ করতেও পালংশাক কার্যকরী। ক্যান্সার প্রতিরোধক ও প্রতিষেধক হিসেবে পালংশাক অপরিহার্য। আঁশসমৃদ্ধ খাবার হওয়ায় পালংশাক কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। চিনি না থাকায় ডায়বেটিক রোগীরা নিশ্চিন্তে পালংশাক খেতে পারেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *