হাটুন প্রতি মিনিটে ১০০ কদম

হাটুন প্রতি মিনিটে ১০০ কদম

বৈজ্ঞানিক জার্নালে প্রকাশিত গুরত্বপূর্ণ হেলথ টিপস-৩ হাটুন প্রতি মিনিটে ১০০ কদম
হাটুন প্রতি মিনিটে ১০০ কদম

আজকাল চিকিৎসকেরা প্রায়ই বলে থাকেন, হাটবেন এটা সহনীয় ব্যায়াম। সবার জন্য উপযোগী, উপকারী ও পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়াহীন। এতে ডায়াবেটিস রোগীর রক্তে চিনি কম থাকে। কিন্তু কতক্ষণ হাটব?কি গতীতে হাটব? এর উত্তরে সান ডিয়াগো স্টেট ইউনিভার্সিটির সংশ্লিষ্ট গবেষকেরা বলছেন, প্রতি মিনিটে কমপক্ষে ১০০ কদম হাঁটার লক্ষ স্থির করতে হবে। ৩০ মিনিট করে সপ্তাহে ৫ দিন হাঁটা একটি পরিমিত ব্যায়াম। মিনিটে ১০০ কদম এটা ন্যুন্যতম-মন্তব্য স্কুল  অফ এক্সারসাইজ অ্যান্ড নিউট্রিশন সায়েন্সের অধ্যাপক সাইমন মাশালের । এ গতি হৃদযন্ত্রের সুস্থতা বজায় রাখা ও বেশ কিছু ক্যান্সারের ঝুঁকি প্রতিরোধে সহায়ক বলে তিনি মনে করেন। শারীরিক সুস্থতা অব্যাহত রেখে বয়স কে ধরে রাখতে প্রতি মিনিটে ১০৫-১১০ কদম করে হাঁটুন।

ওজন কমাতে হবে :

শরীরের বাড়তি ওজন ঝেরে ফেলুন। বাড়তি ওজন হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়।

রোগ নিয়ন্ত্রণ :শরীরের বাড়তি ওজনের মতো ডায়বেটিস কিংবা উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। মানসিক রোগ কিংবা মানসিক চাপযুক্ত থাকতে হবে। মানসিকি চাপ হৃদরোগকে উস্কে দেয়। তাই মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্ট করুন। মেডিটেশনেও মনোযোগ দিতে পারেন রক্তে কোলেস্টেরেলের মাত্রা নিয়ন্ত্রনে রাখতে হবে। চিকিৎসকের শরণাপন্ন হোন , লিপিড প্রোফাইল পরীক্ষার মাধ্যমে আপনার রক্তে কোলেস্টেরল মাত্রা বেশি থাকলে সে অনুযায়ী ঔষধ দেবেন তিনি।

পারিবারিক ইতিহাস : উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবেটিস রোগের পারিবারিক ইতিহাস (বাবা-মা , ভাইবোনের) থাকলে আপনাকে সতর্ক থাকতে হবে। ডায়াবেটিস, রক্তচাপ, রক্তের চর্বি নিয়মিত পরীক্ষা করুন।

শিশুর দিকেও নজর দিন : শিশুর গলাব্যথা বা বাতজ্বর হলে চিকিৎসকের কাছে নিন। এসব সমস্যা অবহেলা করতে নেই। বিশ্রাম ও বিনোদন : প্রতিদিন পরিমিত ঘুম নিশ্চিত করুন। রাত জেগে কাজ পরিহার করুন। পরিবারের সদস্যদের সময় দিন। তাতে আপনার মানসিক প্রশান্তি বজায় থাকবে। মানসিক অশান্তি হৃদরোগের বন্ধু। মনে রাখবেন-হৃদরোগ যে কোনো বয়সে হতে পারে। তাই সচেতন থাকুন নিয়মিত হাঁটুন এবং ভালো থাকুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *